মৌর্য সাম্রাজ্য

Maurya dynasty-Indian History-free pdf download

Advertisements
মৌর্য সাম্রাজ্য

মৌর্য সাম্রাজ্য

চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য : চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য 25 বছর বয়সে নন্দ সম্রাট ধন নন্দকে হত্যা করেন এবং পাটলিপুত্র দখল করেন ৩২১ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে। এই কাজে তাকে সাহায্য করেন কৌটিল্য চাণক্য ও বিষ্ণুগুপ্ত । ৩১২ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে তার সম্রাজ্য নর্মদা নদী পর্যন্ত বিস্তৃত হয় | 305 খ্রীষ্টপূর্বাব্দে আলেকজান্ডারের সেনাপতি সেলুকাস নিকাটর এর সঙ্গে তার যুদ্ধ হয় এই যুদ্ধে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য জয়লাভ করেন এবং সেলুকাস এর সঙ্গে তার সন্ধি হয় ,সন্ধির শর্ত অনুসারে সেলুকাস কাবুল, কান্দাহার ,বিরাট এবং বালুচিস্তান চন্দ্রগুপ্ত কে ছেড়ে দেন চন্দ্রগুপ্ত সেলুকাসকে 500 টি যুদ্ধ হস্তি দান করেন । সেলুকাস মেগাস্থানিস কে তার দূত হিসেবে প্রেরণ করেন ভারত সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতার ‘ইন্ডিকা’ নামক গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেন।

জৈনশাস্ত্রে পরিশিষ্টপার্বণ অনুযায়ী জানা যায় চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য জৈন ধর্ম গ্রহণ করেন এবং শেষ জীবনে জৈন পন্ডিত ভদ্রবাহুর সঙ্গে মহীশুরের শ্রাবণ বেলায় যান এবং সেখানে অনশনে প্রান ত্যাগ করেন । চন্দ্রগুপ্ত পূর্বে বঙ্গোপসাগর থেকে পশ্চিমে আরব সাগর ,উত্তরে হিমালয় হিন্দুকুশ থেকে দক্ষিনে তামিলনাড়ু মহীশূর পর্যন্ত এক বিশাল সাম্রাজ্য নিজের শাসনে আনেন ।

চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য কে গ্রীকরা বলতো স্ট্যান্দাকটটাস (Sandrocottus) বা মুক্তিদাতা |

চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য সেলুকাস নিকেটর পরাজিত করেছিলেন 305 খ্রীষ্টপূর্বাব্দে
  • সেলুকাস নিকেটর চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় মেগাস্থিনিস কে পাঠিয়ে ছিলেন
  • মেগাস্থিনিস এর লেখা ইন্ডিকা গ্রন্থ থেকে ভারতের বিবরণ সম্পর্কে জানা যায়
  • চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য জৈন ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন এবং চন্দ্রগিরি পাহাড়ে ভদ্রবাহু সঙ্গে গিয়েছিলেন ।
  • তিনি শ্রাবনগলায় মৃত্যু বরণ করেছিলেন ।

চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের বিবিধ নাম

নাম উৎস
পালি ব্রোথাস স্ট্রাবাে
অ্যান্ড্রোকোটাস অ্যারিয়েন, প্লুটার্ক (গ্রীক পন্ডিত)
পিয়াদামাস মুদ্রারাক্ষস
ব্রিমাল মুদ্রারাক্ষস
চন্দ্রগিরি মুদ্রারাক্ষস
কলীহীন মুদ্রারাক্ষস

বিন্দুসার: বিন্দুসারের উপাধি ছিল ‘অমিত্রঘাত’। গ্রীকরা তাকে বলত ‘অমিত্ৰচ্যাট। বিন্দুসারের সময় দক্ষিণভারতে মৌর্য সাম্রাজ্যের চুড়ান্ত বিস্তৃতি ঘটে। তিবৃতীয় বৌদ্ধ পণ্ডিত তারানাথ ষষ্ঠশতকে ভারত পরিভ্রমণ করেন। তারানাথের মতে বিন্দুসার ১৬টি রাজ্য জয় করেন।বিন্দুসার যুবরাজ অশােককে তক্ষশীলার প্রজাদের বিদ্রোহ দমন করতে পাঠান। গ্রিক সূত্র থেকে জানা যায় যে, বিন্দুসার শান্তিপ্রিয় রাজা ছিলেন। তিনি সিরিয়ার গ্রিকরাজা প্রথম অ্যান্টিওগাসের কাছে এক পুত্র পাঠিয়ে কিছু মিষ্ট মদ্য, শুকনাে ডুমুর ওএকজন গ্রিক দার্শনিক পাঠাতে বলেন। অ্যান্টিওগাস বলেন যে গ্রিকদের দার্শনিকদের ক্রয় বিক্রয় করার নিয়ম নেই। বিন্দুসারের দরবারে ডেইমাক্স নামে এক রাজদূত পাঠান। মিশরের গ্রীকরাজা টলেমি বিন্দুসারের দরবারে ডায়ােনিসাস নামে এক দূত পাঠান। বিন্দুসারের আমলে পেট্রোক্লেশ নামে এক গ্রিক নাবিক ভারতমহাসাগরে অভিযান করে বহুতথ্য জোগাড় করেন।বিন্দুসার আজীবিক ধর্মের প্রতি খুব অনুরাগী ছিলেন। পিঙ্গল বৎস নামে একজন আজীবিক ভবিষ্যৎ বক্তা বা জ্যোতিষি তার দরবারে ছিল। যখন অশােক জন্মগ্রহণ করেন তখন তিনি বলেন যে সে-ই পরবর্তী রাজা হবে। অশােক প্রথমে উজ্জয়িনীতে ভাইসরয় বা প্রতিনিধি ছিলেন। বিন্দুসারের মৃত্যুর পর অশােক সরাসরি উজ্জয়িনী থেকে পাটলিপুত্রে এসে সিংহাসনে বসেন।

বিন্দুসার সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • দাক্ষিণাত্যে মহীশূর জয় করেছিলেন
  • তিনি আজীবক অঞ্চলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন
  • বিন্দুসার অশোককে উজ্জয়নী ওপরের তক্ষশীলা শাসন ভার অর্পণ করেন
  • মহাভাষ্য (শত্রুর হত্যাকারী) বিন্দুসার কে অমিত্রাঘাত বলতেন
  • বিন্দুসারের রাজত্ব রাজত্ব কাল ছিল 298 থেকে 273 খ্রিস্টপূর্বাব্দ

অশােক:বিংশ শতাব্দীর শুরু পর্যন্ত অশােকের নাম পুরাণে পাওয়া যায় একজন মৌর্য সম্রাট হিসাবে। ১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দে জেমস্ প্রিন্সেপ
অশােকের ব্রাহ্মীলিপির পাঠোদ্ধার করেন। পরবর্তীকালে অশােকের আরাে অনেক লিপি আবিষ্কার করা হয়েছে। ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে অন্য একটি শিলালিপি ‘মাস্কি’ আবিষ্কৃত হয়েছে, যেখানে অশােককে “প্রিয়দর্শী” বলা হয়েছে। “প্রিয়দর্শী” অশােকের দ্বিতীয় নামরূপে ঘােষিত হয়েছে। বিন্দুসারের মৃত্যুর সময় অশােক ছিলেন উজ্জয়িনীর শাসনকর্তা, বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ ‘দীপবংশ’ ও ‘মহাবংশ’ থেকে জানা যায় অশােক তার ৯৯ জন ভাই-কে হত্যা করেন। তার বড় ভাই ছিলেন সুসিমা যিনি ছিলেন তক্ষশিলার শাসনকর্তা। একমাত্রতার ছােটো ভাই তিস্যকে হত্যা করেন নি। তিবৃতীয় ঐতিহাসিক তারানাথের মতে অশােক তার ছয়টি ভাইকে হত্যা করেন। পঞ্চম শিলালিপিতে অশােক উল্লেখ করেছেন তার ভাইদের পরিবার, তারভগিনী এবং আত্মীয়দের কথা। চার বছর গৃহযুদ্ধ চলার পর অশােক তার ভাইদের হত্যা করে সিংহাসনে বসেন ২৬৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। এজন্য তাকে বলা হয় চন্ডাশােক’ বা ‘ধর্মালশাক।

অশােক প্রথম জীবনে ছিলেন উজ্জয়িনীর শাসনকর্তা। পরে তক্ষশীলায় প্রজাবিদ্রোহ হলে তাকে সেখানে পাঠানাে হয়। তক্ষশিলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে অশােক তার যােগ্যতা দেখান। অশােকের মাতার নাম ছিল ধর্মা বা সুভদ্রাঙ্গি। তিনি ছিলেন বিন্দুসারের গ্রীক জাতীয় পত্নী। এলাহাবাদ লিপি থেকে জানা যায় তার একাধিক পত্নী ছিল। তার প্রথম পত্নী ছিল দেবীদ্বিতীয়ার নাম ছিল কারুকী। অশােকের কয়জন পুত্র ছিল তা সঠিক জানা যায় না। তবে তার কয়েকজন পুত্র হলেন তীব্র,কুনাল, জলৌকা, মহেন্দ্র ইত্যাদি এবং কন্যার মধ্যে সঙ্ঘমিত্রার নাম জানা যায় ।

অশােকের রাজত্বে সর্বপ্রথম উল্লেখযােগ্য ঘটনা ছিল কলিঙ্গ যুদ্ধ। তার রাজত্বের প্রথম তেরাে বছর তার নীতি ছিল স্বদেশে রাজ্য বিস্তার
এবং বিদেশে গ্রীক রাজাদের সঙ্গে মিত্রতা। অশােকের রাজত্বের অষ্টম বছরে ২৬০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে মতান্তরে ২৬১ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে কলিঙ্গ যুদ্ধ হয়।
এই যুদ্ধে দেড় লক্ষ লােক মারা যায় এবং বহু লােক বন্দী বা নিরুদ্দেশ হয়। কলিঙ্গ যুদ্ধের পরে অশােক বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। ভব্ৰু শিলালিপি থেকে জানা যায় যে কলিঙ্গ যুদ্ধের দুবছর পর বৌদ্ধপণ্ডিত উপগুপ্তের নিকট বৌদ্ধধর্মের দীক্ষা নেন। বুদ্ধ, ধর্ম ও সঙেঘর প্রতি তাঁর বিশ্বাস বেড়ে যায়।

তার সময় পাটলিপুত্রে ২৫০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে তৃতীয় বৌদ্ধসঙ্গীতি অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে সভাপতি ছিলেন মােগলিপুত্র তিস্য। অশােক তৃতীয় বৌদ্ধসঙ্গীতির পরে কিছু বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে নির্বাচিত করেকিছু স্থানে পাঠান বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য। কাশ্মীর ও গান্ধারে পাঠানাে ২ হয় মােধন্তিকা বা মােজমন্তিকাকে। মহাদেবকে পাঠানাে হয় মহিষমণ্ডলে। রক্ষিতকে পাঠানাে হয় বানভাসিতে। জনধর্ম রক্ষিতকে পাঠানাে হয় অপরন্তকে। মহাধর্মরক্ষিতকে পাঠানাে হয় মহরথে। মহারক্ষিতকে পাঠানাে হয় জনতে। মজঝিমাকে পাঠানাে হয় হিমালয় অঞ্চলে। সােনা ও উত্তারাকে পাঠানাে হয় সুবর্ণভূমিতে এবং মহেন্দ্র ও সঙ্ঘমিত্রাকে পাঠানাে হয় শ্রীলঙ্কাতে। জন’ শব্দটি গ্রীক শব্দ। যার আগের অর্থ ছিল ধর্মরক্ষিত। এই শব্দটি অভারতীয় সন্ন্যাসী-বােঝাতে ব্যবহার করা হয়। রুদ্রদামনের জুনাগড় শিলালিপি থেকে জানা যায় যে অশােকের শাসনকর্তা (Governor) তুসাপ্পা ছিল পশ্চিম ভারতের পার্সিয়ান অথবা গ্রিক শাসনকর্তা।

অশােকের দ্বিতীয় শিলালেখ থেকে জানা যায় যে তার সাম্রাজ্যদক্ষিণসীমান্ত চোল, পান্ড্য, সত্যপুত্র, কেরলপুত্র ইত্যাদি প্রতিবেশী দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এরাজ্যগুলাে ছিল প্রমেত অর্থাৎ সীমান্তবর্তী রাজ্য।কলহনের ‘রাজতরঙ্গিনী’ গ্রন্থ থেকে জানা যায় যে, কাশ্মীর মৌর্যর সাম্রাজ্যের অংশ ছিল এবং অশােক শ্রীনগর শহর প্রতিষ্ঠা করেন। খােটানক(মধ্য এশিয়া) সম্ভবত মৌর্য সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। তিবৃতীয় মতে। অশােক এই অঞ্চল পরিদর্শন করেন। বর্তমান নেপাল মৌর্য সাম্রাজ্যেরর অংশ ছিল। অশােকের মেয়ে নেপালের এক অভিজাতকে বিবাহ করেন।

.শ্রীলঙ্কার সঙ্গে মৌর্য সাম্রাজ্যের খুব নিকট সম্পর্ক ছিল। শ্রীলঙ্কার শাসক তিস্য অশােকের কাছে একজন আদর্শ ব্যক্তি ছিলেন। অশােক তার পুত্র মহেন্দ্র ও কন্যা সঙঘমিত্রাকে বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য সিংহলে পাঠান এবং মূল বােধিবৃক্ষের একটি শাখা তিস্যর কাছে পাঠান। আসল বােধি বৃক্ষটি সপ্তম খ্রিস্টাব্দে গৌড় রাজ শশাঙ্ক কেটে ফেলেন।ত্রয়ােদশ শিলালিপিতে উল্লেখ আছে যে, অশােক ধর্ম প্রচার ও পাঠান। কুটনৈতিক সম্পর্কের জন্য পশ্চিমের গ্রীক রাজাদের নিকট দূত পাঠান। পাঁচজন রাজার নাম হল সিরিয়ার রাজা দ্বিতীয় অ্যান্টিওকাসথিওস(সেলুকাস নিকেটারের পৌত্র), মিশরের রাজা দ্বিতীয় টলেমি ফিলাডেলফাস, ম্যাসিডনের রাজা অ্যান্টিগােনাস গােনাডাস, কাইরিনের রাজা ম্যাগাস, এপিরাসের রাজা আলেকজান্ডার।

অশােকের প্রধান রাণী ছিলেন আসন্ধিমিতা। আসন্ধিমিতার মৃত্যুর পর তিস্যরাখা প্রধান রাণীর মর্যাদা পান। বৌদ্ধ ধর্মশাস্ত্রের মতে তিস্যরাখা বােধিবৃক্ষে আঘাত করেন। অন্যরাণী ছিল কারুকী। তিনি ছিলেন ধার্মিক এবং দানশীল। তার পুত্রের নাম ছিল তিভর। অশােকের তৃতীয় স্ত্রীর নাম ছিল পদ্মাবতী এবং তার পুত্রের নাম ছিল কুনাল। অশােকের দুই কন্যা ছিল। একজন সঙ্ঘমিত্রা ও অন্যজন চারুমতি। চারুমতি বিবাহ করেন নেপালের এক ক্ষত্রিয় দেবপালকে। অশােকের পৌত্রের মধ্যে ছিল সম্প্রতি (কুনালের পুত্র) এবং দশরথ উল্লেখযােগ্য। সিংহলীয় গ্রন্থ ‘মহাবংশ’ অনুসারে অশােকের রাজত্বের ২৭ বছরে তাঁর রাণী আসিন্ধমিতা মারা যান। তার চার বছর পরে ২৩৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিস্যরাখা প্রধান রাণীর মর্যাদা পান এবং দুবছর পরে বিষ প্রয়ােগে বােধিবৃক্ষের ক্ষতির চেষ্টা করেন। অশােক অনেক কষ্টে বােধিবৃক্ষের একটি ক্ষুদ্র অংশ বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেন।

এই গল্প ফাহিয়েনের রচনাতে পাওয়া যায়। পুরাণের মতে মৌর্য সাম্রাজ্য ১৩৭ বছর টিকেছিল। এরমধ্যে প্রথম
তিন রাজা রাজত্ব করেন ৭০ বছর। পরবর্তী রাজাগণ রাজত্ব করেন ৪৭ বছর। অশােকের মৃত্যুর পর মৌর্যসাম্রাজ্য দুটিভাগে ভাগ হয়। যথা পূর্ব
ও পশ্চিম। পশ্চিম অংশে রাজত্ব করত কুনাল। এবং তারপর কিছুদিন রাজত্ব করেন সম্প্রতি।পূর্ব অংশের রাজধানী ছিল পাটলিপুত্র। এখানে
রাজত্ব করেন দশরথ। দশরথের নাম মৎসপুরাণে পাওয়া যায়। তিনি নাগার্জুন পাহাড়কে আজিবিবাদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন। পুরাণমতে
দশরথ আট বছর রাজত্ব করেন। পুরাণ মতে কুনালও আট বছর রাজত্ব করেন। সম্প্রতি ২২৩ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে সিংহাসনে বসেন। সম্প্রতি নয়বছর রাজত্ব করেন। এরপর সিংহাসনে বসেন শালিসুক। শালিসুক ১৩ বছর রাজত্ব করেন। শালিসুকের পরে সিংহাসনে বসেন সােমবর্মন বাদেববর্মন। তিনি ৭ বছর রাজত্ব করেন। তারপর সিংহাসনে বসেন শতধাবন। তিনি ৪ বছর রাজত্ব করেন। মৌর্য বংশের সর্বশেষ রাজা ছিলেন বৃহদ্রথ। তিনি ৭ বছর রাজত্ব করেন। বৃহদ্রথের ব্রাহ্মণ সেনাপতি পুষ্যমিত্র শুঙ্গ তাকে হত্যা করে সিংহাসনে বসেন ১৮৪ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে এবং মৌর্য সাম্রাজ্যের পতন হয়।

আইন অমান্য আন্দোলন ও ভারত ছাড়ো আন্দোলন

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram

File Name:  মৌর্য সাম্রাজ্য

File Size: 1.76 mb
Quality: High
Format: PDF
Pages : 4

Share the post
Advertisements

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisements
Button
WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now