Subject Notes

১৮৯২ খ্রিস্টাব্দের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল আইন (1892)

Advertisements

• কাউন্সিল-এর হাতে ক্ষমতা দেওয়া হয় উভয়স্তরের বাজেট নিয়ে আলােচনার কিন্তু তাদের ভােটদানের অধিকার ছিল না।
• নন-অফিসিয়াল সদস্যদের এবং প্রাদেশিক আইনসভার সদস্যদের পরােক্ষ নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়।
• গভর্নর জেনারেল ইন কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয় ১০-১৬-এর মধ্যে।
• পরিষদে সদস্যদের প্রশ্ন জিজ্ঞাসার অনুমতি দেওয়া হয়।


১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল আইন বা মলে-মিন্টো সংস্কার আইন (1909)

• আইন পরিষদের সদস্যদের সরাসরি নির্বাচন প্রক্রিয়ার সূচনা হয়।
• মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচনের ব্যবস্থা হয়।
• প্রাদেশিক আইন পরিষদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানাে হয় ১৬-৬০এ।
• ৬০ জন সদস্যের মধ্যে ২৮ জন সরকারের মনােনীত ও ৩২ জন নন-অফিসিয়াল। ৩২ জনের মধ্যে ৫ জন
মনােনীত ২৭ জন নির্বাচিত।
• নন-অফিসিয়াল সদস্যদের পরােক্ষ নির্বাচনের দ্বারা নির্ধারণ করা হয়।
• উভয়স্তরে পরিষদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়।


১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে গভর্নমেন্ট অফইন্ডিয়া অ্যাক্ট বা মন্টেগু চেমসফোর্ডসংস্কার আইন (1919)

• ডায়ার্কি (Dyarchy) বা দ্বৈত ব্যবস্থা প্রদেশে চালু হয়।
প্রশাসনিক বিষয়কে ট্রান্সফার ও রিজার্ভ এই দুটি ভাগে ভাগ করা হয়।
• ট্রান্সফার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল শিক্ষা, লাইব্রেরি, জাদুঘর, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন, মেডিক্যাল ত্রাণ, নাগরিক স্বাস্থ্য, কৃষি,ইত্যাদি। সমবায় সমিতি, পাবলিক ওয়ার্কস, ভেটেরিনারি, ফিশারি,শুষ্ক, শিল্প, ওয়েটস অ্যান্ড মেজারমেন্টস, পাবলিক এন্টারটেনমেন্ট, ধর্মীয় ও দাতব্য বিষয়। রিজার্ভ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল ভূমি-রাজস্ব, দুর্ভিক্ষ-ত্রাণ,বিচার, পুলিশ, পেনশন, প্রিন্টিং প্রেস, জলসেচ, খনি,ফ্যাক্টরি, বিদ্যুৎ, শ্রমমন্ত্রক, মােটর ভেহিকল, ক্ষুদ্র বন্দর ইত্যাদি।
•প্রদেশগুলির উপর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কমানাে হয়।
• কেন্দ্রে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা বা বাই ক্যামেরাল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হয় যথা,
(ক) কাউন্সিল অফ স্টেটস বা উচ্চকক্ষ এবং
(খ) লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি বা নিম্নকক্ষ ।
•ভারত সচিব ও তাকে সাহায্যকারীদের বেতন দেওয়া হবে।ব্রিটিশ রেভিনিউয়ের ভেতর থেকে।
• লন্ডনে একজন হাইকমিশনার নিয়ােগ করা হয় ভারতের জন্য যিনি ভারতের কাজের দায়িত্ব থাকবেন।


১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে ভারতশাসন আইন (1935)

•এই আইনে সারা ভারত ফেডারেশন বা সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠন করার ব্যবস্থা ছিল।
•ভারত শাসন আইনে ৩২১টি অধ্যায় এবং ১০টি তালিকা বা schedule ছিল।
•ক্ষমতাকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছিল যথা, ফেডারেল বা যুক্তরাষ্ট্রীয় তালিকা, প্রাদেশিক তালিকা এবং যুগ্ম তালিকা। অবশিষ্ট ক্ষমতা গভর্নর জেনারেল এর হাতে ছিল।
• প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের ব্যবস্থা করা হয়। ডায়ার্কিবা দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটে।
•গভর্নর জেনারেল এবং গভর্নরদের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা দেওয়া হয়।
• আইনসভাকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করা হয় ৬টি প্রদেশে। যথা,বাংলা, মাদ্রাজ, বােম্বাই, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, আসাম।
•প্রাদেশিক কাউন্সিলের ২৭৬টি আসনের মধ্যে ১০৪টি আসন এবং লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির ৩৭৫টি আসনের মধ্যে ১২৫টি আসন রাজন্যবর্গের মনােনীত সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
• শিখ, ইউরােপীয়, ভারতীয়, খ্রিস্টান ও অ্যাংলাে ইন্ডিয়ানদের স্বতন্ত্র নির্বাচনের ব্যবস্থা হয়।
• ১৯৩৭ সালে দিল্লিতে ফেডারেল কোর্ট প্রতিষ্ঠা করা হয় একজন প্রধান বিচারপতি সহ ৬ জন বিচারপতি নিয়ে।
• ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে উড়িষ্যা রাজ্যের সৃষ্টি হয়।

Advertisements
Advertisements
Button
WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now